Logo

রাজনীতি    >>   প্রজ্ঞাপন জারি: বাংলাদেশের ২৩তম রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ২৫৫ ভোটে বিজয়ী—অলি আহমদ ৮৮ | দীর্ঘ বিরতির পর সংসদে প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ রাষ্ট্রপতি নির্বাচন

প্রজ্ঞাপন জারি: বাংলাদেশের ২৩তম রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ২৫৫ ভোটে বিজয়ী—অলি আহমদ ৮৮ | দীর্ঘ বিরতির পর সংসদে প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ রাষ্ট্রপতি নির্বাচন

প্রজ্ঞাপন জারি: বাংলাদেশের ২৩তম রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ২৫৫ ভোটে বিজয়ী—অলি আহমদ ৮৮ | দীর্ঘ বিরতির পর সংসদে প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ রাষ্ট্রপতি নির্বাচন

প্রজ্ঞা নিউজ ডেস্ক :
মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরকে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের ২৩তম রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত ঘোষণা করে আনুষ্ঠানিক প্রজ্ঞাপন জারি করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। এর মধ্য দিয়ে দেশের সর্বোচ্চ সাংবিধানিক পদে তাঁর নির্বাচনের বিষয়টি সরকারি গেজেটে আনুষ্ঠানিকভাবে নিশ্চিত হলো।

বৃহস্পতিবার (২০ আগস্ট) রাতে ইসি সচিবালয়ের সিনিয়র সচিব আখতার আহমেদের স্বাক্ষরে রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের ফলসংক্রান্ত এ প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়।

প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, রাষ্ট্রপতি নির্বাচন আইন, ১৯৯১-এর ১১ ধারা অনুসারে নির্বাচনী কর্তা ও নির্বাচন কমিশনারের ঘোষণার ভিত্তিতে এবং রাষ্ট্রপতি নির্বাচন বিধিমালা, ১৯৯১-এর বিধি ১২(৬) অনুযায়ী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরকে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি পদে নির্বাচিত ঘোষণা করা হলো।

এর আগে বৃহস্পতিবার জাতীয় সংসদের বিশেষ অধিবেশনে রাষ্ট্রপতি নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। দুপুরে ভোটগ্রহণ শুরু হয়ে বিকেলে ভোট গণনা শেষে প্রধান নির্বাচনী কর্মকর্তা ও প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসির উদ্দীন আনুষ্ঠানিকভাবে ফলাফল ঘোষণা করেন।

রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে মোট ৩৪৯ জন সংসদ সদস্য ভোটার ছিলেন। তাঁদের মধ্যে ৩৪৩ জন ভোটাধিকার প্রয়োগ করেন। বিএনপি মনোনীত প্রার্থী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর পান ২৫৫ ভোট। তাঁর প্রতিদ্বন্দ্বী ১১-দলীয় বিরোধী জোটের প্রার্থী লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টির (এলডিপি) চেয়ারম্যান কর্নেল (অব.) অলি আহমদ পান ৮৮ ভোট। ফলে মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর ১৬৭ ভোটের বিশাল ব্যবধানে বিজয়ী হন।

নির্বাচন কমিশনের প্রজ্ঞাপনে নবনির্বাচিত রাষ্ট্রপতির পিতার নাম মির্জা রুহুল আমিন এবং ঠিকানা ঠাকুরগাঁও সদর উপজেলার ঠাকুরগাঁও পৌরসভার কালীবাড়ী গ্রাম হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে।

দীর্ঘ বিরতির পর জাতীয় সংসদে প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ রাষ্ট্রপতি নির্বাচন অনুষ্ঠিত হওয়ায় এবারের নির্বাচন দেশের রাজনৈতিক ও সাংবিধানিক ইতিহাসে বিশেষ গুরুত্ব পেয়েছে। একাধিক প্রার্থীর মধ্যে সরাসরি ভোটের মাধ্যমে রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হওয়ায় নির্বাচনটি রাজনৈতিক অঙ্গনেও ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিয়েছে।

রাষ্ট্রপতি বাংলাদেশের রাষ্ট্রের সর্বোচ্চ সাংবিধানিক পদ। সংবিধান অনুযায়ী রাষ্ট্রপতি রাষ্ট্রের প্রধান এবং তাঁর নামেই রাষ্ট্রের আনুষ্ঠানিক কার্যক্রম পরিচালিত হয়। ফলে মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের দায়িত্ব গ্রহণ দেশের সাংবিধানিক ব্যবস্থায় নতুন অধ্যায়ের সূচনা করবে বলে মনে করছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা।

নির্বাচিত রাষ্ট্রপতির শপথ গ্রহণের মধ্য দিয়ে রাষ্ট্রের সর্বোচ্চ সাংবিধানিক পদে তাঁর আনুষ্ঠানিক দায়িত্ব গ্রহণ সম্পন্ন হবে। শপথের পর সংবিধান রক্ষা, রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানগুলোর মর্যাদা সমুন্নত রাখা এবং সব নাগরিকের সাংবিধানিক অধিকার নিশ্চিত করার গুরুদায়িত্ব তাঁর ওপর ন্যস্ত হবে।

সূত্র: ভোরের পাতা